Loading...

Month: April 2020

ক্ষুধা

লেখকঃ মো মাসুদুর রহমান সাগর এস এস সি’২০ বগুড়া জিলা স্কুল, বগুড়া শহুরের ব্যস্ততামাখা জীবনে আকাশ দেখার সময় টুকুনও জোটে না কখনও। তাই বলে আমি কোনো চাকুরিজীবী বা ব্যবসায়ী নই। [আরো…]

নবজাতের নিয়তি

লেখকঃমো মাসুদুর রহমান সাগরএস এস সি’২০বগুড়া জিলা স্কুল, বগুড়া চোখ মেলে দেখে রাতের আঁধার , গায়ে জড়ানো ফুটপাতের চাবুক। শীতল প্রায় দেহ খানি পায় না মাতৃ দুধ। কুকুর ছানা গুলো [আরো…]

স্মৃতিচারণ

লেখক: নাজিমুছ সাকিবএস এস সি’২০বগুড়া জিলা স্কুল, বগুড়া কাজল কালো সেই নয়ন জোড়গোলাপ-রাঙা সেই ওষ্ঠাধর,শিহরণ জাগানো সেই উষ্ণ স্পর্শঅনুভূত হয় আজও ৷ মায়াভরা সেই বদনখানিতেলজ্জাস্নাত সেই অমায়িক হাসি,ঈষৎ ভেজা চুলের [আরো…]

সুখের খোঁজে

লেখকঃ তামীম দারিএস এস সি’২০বগুড়া জিলা স্কুুুল, বগুড়া …… আমি মানুষ,আমি সুখ খুঁজে বেড়াই টাকার গন্ধে। আমি মানুষ,আমি সুখ খুঁজি কুমারি রমণীর দেহে। আমি মানুষ,আমি সুখ খুঁজে বেড়াই দালান কোঠার [আরো…]

উৎসর্গের অন্তরাল ২

লেখকঃ মো মাসুদুর রহমান সাগরএস এস সি’২০বগুড়া জিলা স্কুল, বগুড়া আমি প্রতি পূর্ণিমার চাঁদ রাতে দিঘির সেই পদ্ম ফোটা জলকলঙ্কে তোমায় দেখতে পাই। আমি ফিলোমেনের উদাস অলস গানে তোমার নাম [আরো…]

কবি

লেখকঃ নাসিম আল অভিএস এস সি’২০বগুড়া জিলা স্কুল, বগুড়া …… নক্ষত্র যেমন ক্লান্তযেমন ঈশ্বরের দীর্ঘশ্বাস;সন্ধ্যার আলোয় বসে অবসন্নকবিও ধোঁয়া আর ছাই থেকেসিগারেট বানাতে গিয়েলিখে ফেলেন কবিতা–একটিআধপোড়া সিগারেটের ই মতন;অক্লান্ত আশ্বাস।

আত্মত্যাগ

আপনি যখন অবসরে আপনার জীবন অঙ্কের খাতাটি খুলে হিসাব নিকাশ করতে বসবেন, তখন দেখবেন আপনার জীবনের প্রাপ্তির খাতাটি শূন্য পক্ষান্তরে ব্যর্থতার খাতাটি পরিপূর্ণ।
তাই সবসময় অন্যের জন্য নিজের জীবনের সবটুকু সময় বিলিয়ে না দিয়ে নিজের জন্য কিছু সময় রাখুন।
নিজের ভালোলাগা, ভালোবাসা,শখ,ইচ্ছেগুলোর দাম নিজে দিন। কেননা অন্যের কাছে আপনার শখ আহ্লাদের কোন দাম নেই। এই সমাজ শুধু নিতে জানে; কিন্তু বিনিময়ে কিছুই আপনি পাবেন না শুধু অপমান, দুঃখ, কষ্ট ছাড়া।
সাইকোলজি বলে, যে মানুষ যত বেশি রাগারাগি করে সেই মানুষের তত বেশি ভালোবাসা দরকার।কিন্তু আমাদের এত সময় কই, আমাদের সমাজের চিত্রটা একটু অন্য রকম।
সমাজের এই অন্য রকম চিত্রটা দেখতে পায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো। এই পরিবারগুলোর প্রত্যেকটা সদস্য জানে আত্মত্যাগ কি জিনিস।
অনেকের মতে মধ্যবিত্তদের না কি বন্ধু থাকতে নেই।

বৃষ্টি

বর্ষা যেন সব ক্লান্তিকে দূর করে দেয়। জীবনের সব সুখ, দুঃখ, ভালোবাসা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। বৃষ্টি আমরা কম বেশি সবাই ভালবাসি। কিন্তু করো করো মনে বৃষ্টি দখল করে নেয় একটি বিশেষ স্থান। তেমনি একটি সহজ সরল মেয়ে “মেঘলা” যে কিনা একটু বেশিই ভালোবাসে বৃষ্টিকে। ছোট বেলায় ওদের বাড়িটি ছিল মফস্বল এক শহরে। বড়ির সামনে ছিল বিরাট উঠোন, পড়ায় খেলার মাঠ , আম বাগান, পুকুর , আরো কত্ত কি। সব ই মেঘলার বড্ড প্রিয় ছিল। যখন বৃষ্টি নামতো,মেঘলা জানালায় বেশ আবেগ নিয়ে বৃষ্টি দেখতো। প্রতিটি ফোটার ধ্বনি যেন সুন্দর মৃদু সঙ্গীত এর মতো লাগত ওর কাছে। ঝড়ের সময় সবাই যখন ঘরের কোণে চলে যেত, এক মেঘলাকেই দেখা যেত মহানন্দে আম কুড়াতে। এর জন্য জ্বর বাধিয়ে শুয়ে থাকতে হতো ওকে মাঝে মাঝে। তখন মা ওকে একদমই বৃষ্টিতে ভিজতে দিতেন না ,আর বলতেন “এখন থেকে তোমার বৃষ্টিতে ভেজা বরণ।”

বুক রিভিউ – শ্রেষ্ঠ গল্প

সবাইকে বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা , প্রশান্তির ঋতু বসন্ত শেষে, আজ বৈশাখের প্রথম দিন । আজ এমন এক বইএর রিভিউ লিখব যেটা কোনো বড় এক উপন্যাস কে ধারন করে না বরং বেশ কয়েকটি গল্পের সমষ্টি নিয়ে বইটি ছাপানো । বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র হতে প্রকাশ করা হয়েছে ।লিখেছেন নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় । সাহিত্য, সিনেমা, অধ্যাপনা— সবেতেই তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ । বইটি পড়তে নিয়ে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যাইয়ের গদ্যশৈলী বার বার আপনাকে শুধু মন্ত্রমুগ্ধই করবেনা, আপনি বাংলা ভাষার সৌন্দর্যকে নিজের মাঝে অনুভব করতে পাবেন।